Style Switcher
Theme Colors

মদ, গাজা, ইয়াবা নিয়ে গান যুবসমাজকে ধ্ব

menu

প্রতিক্রিয়া

মদ, গাঁজা, ইয়াবা, নেশা নিয়ে গান কেন?

শরীফুর রহমান আদিল

 
  • ঢাকা , রবিবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৮

আজ থেকে তিন মাস আগে প্রতিদিন পত্রিকার শিরোনামে হতো র‌্যাব-পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মাদকব্যবসায়ী নিহত, কিংবা মাদকসেবনকারী আটক। মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার দুই মাসের মাথায় ২৫ জুন ১৮ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে এক প্রশ্নোত্তরে বলেছিলেন- মাদকবিরোধী অভিযানে মোট ২০ হাজার ৭৬৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এরমধ্যে ১২৮৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয়া হয়েছে। আর বিবিসির সূত্রানুযায়ী এ অভিযানে বন্ধুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে প্রায় দুই শতাধিক ব্যক্তি। তখন বলতে গেলে সরকার মাদকের বিরুদ্ধে এক ধরনের যুদ্ধই ঘোষণা করছিল। সম্প্রতিও বিভিন্ন মন্ত্রী, এমপি, পুলিশ ও র‌্যাবের মহাপরিচালক মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার কথা বলেন। কিন্তু সরকার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেও কিছু কিছু শিল্পী ও ফিল্মের পরিচালক এখনও তাদের গানে কিংবা ছবিতে মাদককে উৎসাহ দিয়ে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে, অথচ, মাদক দেশ, জাতি , সরকার এমনকি ধর্মের ও শত্রু! এ শত্রু থেকে বাঁচতে সরকার মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ প্রণয়ন করে।

সরকার শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিয়ে দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু দেশ উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে নৈতিক অবক্ষয় রোধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। একইভাবে মাদকের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করলেও এসব মাদকের উৎসাহ দাতা কিংবা টিভিতে, ইন্টারনেটে, চলচ্চিত্রে অথবা, গানে মাদক কিংবা মাতালের ব্যবহার করলে কি ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে তা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি।

মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক কর্তৃক কিংবা অন্য কোথাও কয়েকটি সেমিনার, সিম্পেজিয়াম আর প্রবন্ধ লিখলেই তরুণ সমাজকে সচেতন করে মাদকের ব্যবহার থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না। এক্ষেত্রে মিড়িয়ার বিনোদন বিভাগের দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, বর্তমান যুগকে মিড়িয়ার যুগ বলা হয়। ফলে মিড়িয়ায় আলোচিত বিষয়টিই অনুসরণ করে তরুণ প্রজন্ম। সুতরাং মিড়িয়ায় যদি মদ, গাজা, ইয়াবা, হুইস্কি প্রভৃতি নিয়ে দেশের জনপ্রিয় একজন নায়ক দিয়ে গান রচনা করে তা যে পুরো দেশের অধিকাংশ তরুণ সমাজকে যে বিভ্রান্ত ও অনুপ্রেরণা দিবে এতে কোন সন্দেহ নেই।

এক পরিসংখ্যান মতে, বাংলাদেশে টেলিভিশন দেখে প্রায় ১১ কোটি দর্শক যার মধ্যে প্রায় সাত কোটিই হলো কিশোর ও যুবক। অন্যদিকে, বিটিআরসির তথ্য মতে, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্য ৯ কোটি ৫ লাখ যারমধ্যে ৬ লাখই কিশোর ও যুবক। সুতরাং মাদকের প্রতি উৎসাহ প্রদান করে এমন আইটেমসং কিংবা অন্যকোন গান অথবা চলচ্চিত্র বা, নাটকের দৃশ্যায়ন যদি অনলাইন বা, ইলেকট্রনিক মিড়িয়ায় মঞ্চায়িত হয় তবে সরাসরি তা গ্রহণ করবে এ ৭ কোটি গ্রাহক। প্রতিনিয়ত তৈরি হওয়া এসব দৃশ্যায়নের বিপরীতে সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া মাদকবিরোধী বিভিন্ন সেমিনার, সিম্পেজিয়াম, রচনা প্রতিযোগিতা কিংবা আইন প্রণয়ন কতটুকু কাজে দেবে? কতদিন এ ধরনের সভা-সেমিনার করতে পারবে সংশ্লিষ্টরা? তরুণদের উদ্দীপক বিষয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিরোধমূলক এসব পরিকল্পনা আসলেই কি কোন কাজে দিচ্ছে? সারা বছরই এ ধরনের আইটেম সং, চলচ্চিত্রে মাতাল ও মাদকের দৃশ্যায়ন নির্মিত হচ্ছে। যাতে ধ্বংস হচ্চে যুবসমাজের নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা বিকৃত হচ্ছে তাদের মানসিকতা অথচ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র নীতিমালা-২০১৭ তে চলচ্চিত্রের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সম্পষ্টই বলা আছে। নীতিমালা অনুযায়ী- চলচ্চিত্রের উদ্দেশ্য হবে জনগণের মধ্যে নৈতিকতাবোধ উন্নতি সাধন ও সমাজবিরোধী কার্যক্রম থেকে নিবৃত্ত থাকার জন্য জনসাধারণকে নিরুৎসাহিত করা। কিন্তু বর্তমান প্রযোজিত অধিকাংশ চলচ্চিত্রেই এ নীতিমালার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুল দেখানো হচ্ছে এবং নিজেদের খেয়াল-খুশি ও ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণ করে হচ্ছে। ফলাফল হিসেবে দেখা যাচ্ছে একদিকে দেশের যুবসমাজ তাদের নৈতিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতা নষ্ট করে নেশার দিকে ধাবিত হচ্ছে অন্যদিকে সমাজের শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। এখন অধিকাংশ ছবিতেই আইটেম গান সংযোজন করা হয় আর এসব গানের প্রায়ই মদ, মাতলামি আর অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিসহ অশ্লীল শব্দ চয়ন করে গান ও নাচ প্রদর্শিত হয়। যা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮-এর বিরুদ্ধাচারণ। ১৯৯১ সালে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর মাদক নিয়ন্ত্রণ পরিচালনার জন্য তিনটি কর্মকৌশল নির্ধারণ করেছিল যার প্রথমটি হলো চাহিদা হ্রাস। কিন্তু বাংলাদেশি বিনোদনমূলক মিডিয়ায় তথা চলচ্চিত্রের দৃশ্যপটে ও আইটেম সং ও বিভিন্ন গানে মাদককের চাহিদা হ্রাসের পরিবর্তে উৎসাহ ও এর ফলে মাদকের চাহিদা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেননা, মানব সমাজে নেতিবাচক যেকোন ধারণা প্রচলন করলে তাতে মানুষের বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ সেদিকে ধাবিত হয় বলে সর্বজনভাবে স্বীকৃত। মাদক নিষিদ্ধ হওয়ায় তরুণদের আগ্রহ এর প্রতি বেশি। তাদের সেই আগ্রহকে পুঁজি করে প্রযোজক কিংবা পরিচালক বা গায়করা ব্যবসায়িকভাবে সফল্য দেখিয়ে বাহবা কুড়াচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো দেশ- জাতিকে ধ্বংস করে গুটিকয়েকজন লাভবান হওয়ার মধ্যদিয়ে দেশ কি পাচ্ছে? নিকৃষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে কি গান করে মুনাফা করতে হবে? তাদের এ হীন প্রতিযোগিতার বলি হচ্ছে দেশের কোটি কোটি যুবক। আর তাই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স কিংবা বিশেষ অভিযান এবং বন্ধুকযুদ্ধ সংঘটন করার পরও সরকারি কিংবা বেসরকারি কোন সংস্থা মাথা উঁচু করে এ কথা বলতে পারছে না যে, মাদক নিয়ন্ত্রণে এসব কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার কারণে দেশে মাদকের ব্যবহার কিংবা সেবন ৫০ শতাংশে নেমে এসেছে। পুলিশের আইজিপি পুলিশ সপ্তাহ-১৮ এ বিষযটি অকপটে স্বীকার করে বলেন যে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করলেও মাদক নির্মূল করা যাচ্ছে না। পুলিশ আইজিপির এ অসহায়ত্বের পরেও মিড়িয়ার পরিচালক কিংবা গায়করা দেশে যুবসমাজ রক্ষার্থে কোন ইতিবাচক পরিলক্ষিত হয়নি। সরকারের পাশাপাশি চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক কিংবা গায়করা তাদের কর্মকান্ডে যদি যুবসমাজকে রক্ষায় কোন উদ্যোগ নিত তবে আজকের বাংলাদেশের মাদকাসক্তের সংখ্যা অনেকটাই কমে আসত। কেননা, বর্তমান মিড়িয়া ও ইন্টারনেট বাংলাদেশের যুবসমাজের ওপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে। আর এটি কেমন প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে তা বিটিআরসির এক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যায়। সরকারি এ সংস্থার মতে, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ৯ কোটি ৫ লাখ। এরমধ্যে ৭ কোটিই হলো কিশোর ও যুবক। বর্তমান মিড়িয়ার প্রায় ৭০ শতাংশ নিয়ন্ত্রিত হয় ইন্টারনেটের মাধ্যমে। পূর্বে মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বহু মাদক নিরাময় কেন্দ্র এবং মিড়িয়াও রেখেছিল বলিষ্ঠ ভূমিকা যার উদাহরণ হিসেবে আমরা নব্বই শতকের কথা বলতে পারি। ৯০ দশকে মাদকাসক্ত লোকের সংখ্যা ছিল মাত্র ৯ লাখ আর তখন মিড়িয়ায় মাদকের প্রতি উৎসাহ জোগায় এ রকম কোন গান রচিত কিংবা প্রচার করেনি। বরং উল্টো সিগারেটসহ মাদক সেবনকে নিরুৎসাহিত করতে রচিত হয়েছিল সচেতনামূলক গান যার দুটো কলি ছিলো- ‘সিগারেট থেকে শুরু মাঝপথে হিরোহীন/শেষপথে মাদকে আসক্ত প্রতিদিন/কেন বেচে থাকা... বৃথা যৌবন যায়, ক্ষয় হয় যায় প্রাণ’। আর বর্তমানে সরকারি পরিসংখ্যান মতে, দেশে মাদকাসক্ত লোকের সংখ্যা ৭০ লাখ কিন্তু বেসরকারি গবেষণা সংস্থার মতে এ সংখ্যা দুই কোটি ছাড়িয়ে গেছে। অথচ, এরপরও কিছু পরিচালক কিংবা শিল্পী সরকারের নেয়া পদক্ষেপের কোন তোয়াক্কা না করে কিংবা কোন নিয়ম- নীতিমালা আর দেশের ঐতিহ্য ও যুবসমাজের ভবিষ্যতের কথা না ভেবে শুধু নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য মাদকের প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি করে এমন চলচ্চিত্র কিংবা গান রচনা করেই যাচ্ছেন। যার প্রকষ্ট উদাহরণ হলো সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশ হওয়া ‘হাজির বিরিয়ানি’ গানটি। জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজনায় নির্মিত ‘দহন’ ছবিটির ‘হাজীর বিরিয়ানি’ গানে স্পষ্টই মাদকের দিকে উৎসাহ ও ধাবিত করার মনোভাব উচ্চারিত হয়েছে বারংবার। অন্যদিকে, এই গানের গানের কথাগুলোতে রয়েছে ব্যাপক অশ্লীল আর কুরুচিপৃর্ণ শব্দ। উল্লিখিত গানের প্রথম কলিটি হলো- হাজীর বিরিয়ানি, মালে ঢালে পানি/গাজা দেরে টানি/ চড়বে নেশা জমবে খেল/... বাবা খেয়ে হাবা হয়ে নাচবো ...মাতাল হয়ে হিসু করবো দেয়ালে যা হওয়ার তা হবে কাল সকালে .! এর শেষ কলিতে বিলেতি মদ খেলে প্রেম জমবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, গানের কিওয়ার্ডগুলো হলো- মাল, গাঁজা, মদ, মাতাল, বাবা/ইয়াবা, হিসু ও নেশা! এহেন শব্দদ্বারা নির্মিত হাজীর বিরিয়ানি সহ অন্য যে কোন আইটেম গান পরিবারের সঙ্গে মিলে উপভোগ করা যাবে? এ ধরনের গান বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্যকে কি ধূলিস্যাৎ করছেনা? এসব গান প্রকাশের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র সেন্সরবোর্ডের কার্যক্রম ও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। যেসব গান বাংলা গানের ঐতিহ্যকেই ধ্বংস করে, যুবসমাজকে চরম অশ্লীলতার দিকে নিয়ে যায়, সে সব গানের ছাড়পত্র সেন্সরবোর্ড দেয় কিভাবে? এমন কিওয়ার্ড ব্যবহার করে ’বি’ ক্যাটাগরির কোন চলচ্চিত্রের গান নির্মিত হয়েছে কিনা সে সর্ম্পকে বলতে পারছেনা সংশ্লিষ্টরা সেক্ষেত্রে মূলধারার চলচ্চিত্র নির্মিত হয় কিভাবে?

আরমান আলিফের গাওয়া ‘নেশা’ গানটিও যুব সমাজকে নেশার দিকে চরমভাবে উৎসাহিত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তার পুরো গানেই মাদকের সঙ্গে জীবনের ঘনিষ্ঠতাকে প্রকাশ করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও মাদকের পক্ষে সাপাই বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। নেশা গানের একটি কলি হলো-‘নেশা হাসায় নেশায় কাঁদায় নেই আমি আমার, তার এ যদিও মাদকতাময় সুর নিয়ে আমাদের কোন অভিযোগ নেই’। এছাড়াও প্রায় প্রতিটি ছবিতে ভিলেনের আখড়ায় মাদকের ছড়াছড়ি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মিড়িয়া পাগল যুবসমাজকে রক্ষা করতে সরকারকে সহযোগিতা না করে তাদের এহেন কার্যাকলাপ সরকারসহ দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান বলে ধরে নেয়া যায়। অথচ এখন পর্ষন্ত কোন সংস্থা কিংবা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর বিষয়টি নিয়ে কোন বক্তব্য দেয়নি! অথচ বর্তমান আইনে তাদের এহেন কার্যক্রম বিদ্যমান আইনানুযায়ী চরম শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিদ্যমান মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মাদকের প্রতি উৎসাহদানকারী কিংবা মদতদাতাদের বিষয়ে স্পষ্ট কোন ধারা না থাকলেও মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮র খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছিলেন- ‘কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ আইনের অধীনে কোন অপরাধ সংঘটনে অর্থ বিনিয়োগ ও সরবরাহ করলে, মদত দিলে বা পৃষ্ঠপোষকতা করলে মৃত্যুদন্ড ও অর্থদন্ডের সাজা পাবেন। একই সঙ্গে এ আইনের অধীনে কোন অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা দিলে, সাহায্য করলে বা ষড়ষন্ত্রে লিপ্ত হলে, প্রচেষ্টা চালালে অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক, তিনি এ আইনের অধীনে অনুরূপ দন্ডে দন্ডিত হবে’।

মিডিয়া ইথিক্স বিষয়ে গবেষণারত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়


Share this page: